৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি | প্রাথমিক পদক্ষেপ

৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ ৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন এই প্রশ্নটাকে সামনে রেখেই আজকে আমাদের মুল আলোচনা । বিসিএস চাকরি যেন সোনার হরিণ। ধরা দিতেই চায়না। সময়,শ্রম,অর্থ, মেধা খাটিয়েও বিসিএস ক্যাডার চাকরি পাওয়া দূর্বিষহ হয়ে পড়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনকারীর সংখ্যা ততই বাড়ছে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া দিন দিন কঠিন থেকে কঠিন তর হয়ে উঠেছে।

চাকরির পরীক্ষায় ভালো করার উপায় ৭ টি কার্যকরি টিপস

কিভাবে নিজেকে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুত করবেন?

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার উপায় ৭টি কার্যকরী টিপস

বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে সম্মানিত এবং চাহিদা সম্পন্ন একটি পেশার নাম হচ্ছে বিসিএস ক্যাডার। অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্নই থাকে যে পড়ালেখা শেষ করে সে বিসিএস ক্যাডার হয়ে বাবা-মা’র আশা পুর্ণ করবে । তবে অনেকের ক্ষেত্রে স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। তাই শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবেনা তা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সু্নির্দ্দিষ্ট পরিকল্পনা মোতাবেক কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

বিসিএস বা BCS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Bangladesh Civil Service. বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে তিনটি ধাপ পেরোতে হয়। প্রথমত বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়, দ্বিতীয়ত বিসিএস রিটেন পরীক্ষায় পাশ করতে হয় এবং তৃতীয়ত ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে আপনি পরবর্তী ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেননা। অনেকেই বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়টা তেন গুরত্ব দেননা। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে বিসিএস প্রিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াটাই হলো বিসিএস ক্যাডার হওয়ার প্রথম সোপান।

তাই বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন, বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি কি হবে, অল্প সময়ে বিসিএস প্রস্তুতি কিভাবে নেয়া যায়, বিসিএস এর জন্য কি কি বই পড়তে হবে, বিসিএস এর জন্য কত ঘন্টা পড়তে হবে, বিসিএস প্রস্তুতির জন্য পড়ার রুটিন কি ভাবে সাজাতে হবে ইত্যাদি সামগ্রিক বিষয়াবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

উল্লেখিত বিষয়ের পাশাপাশি বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করার জন্য মূলত যে সকল পদক্ষেপ গুলো বেশী কার্যকরী ভূমিকা পালন করে যেমন বিসিএস এর সিলেবাস সম্পর্কে

 পরিস্কার ধারণা রাখা, রুটিন মাফিক পড়াশোনা করা, অযথা আড্ডা ঘোরাঘুরি বন্ধ করা,বিষয় ভিত্তিক বা সিলেবাস ধরে পড়াশোনা করা, সার্বক্ষনিক পড়ার উপকরন বা বই সংগে রাখা এবং সর্বোপরি Be Serious বা একজন পরীক্ষার্থির মধ্যে Seriousness grow করার উপায় গুলো বেশি আলোকপাত করা হবে।

১। বিসিএস এর সিলেবাস সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা রাখা

৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি এর প্রাথমিক পদক্ষেপ এর মধ্যে অন্যতম বিসিএস এর সিলেবাস সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা রাখা ।প্রত্যেক পরীক্ষার জন্য একটা সিলেবাস থাকে বিসিএস পরীক্ষারও তেমনি একটী সুনির্দ্দিষ্ট সিলেবাস আছে। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিযোগি এই সিলেবাস সম্পর্কে ওয়াকিহাল নয়। যার ফলে তারা পরীক্ষায় কি ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে সে ব্যাপারে অজ্ঞ থেকে যায় এবং তাদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি থেকে যায়। ফলশ্রুতিতে পরিক্ষার খাতায় তারা পরিপূর্ণ উত্তর করতে পারে না বিধায় বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনা।

তাই সর্বোপ্রথম একজন বিসিএস পরীক্ষার্থীকে সিলেবাস সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নিতে হবে, সিলেবাস এর ব্যাপ্তি বুঝতে হবে এবং সেই মোতাবেক প্রস্তুতি নিতে হবে। বিসিএস এর সিলেবাস জানতে ভিজিট করতে পারেন। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরিক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

ক্রমিক নং বিষয়নম্বর
০১বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৩৫
০২ ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য৩৫
০৩বাংলাদেশ বিষয়াবলী৩০
০৪ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী২০
০৫পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা১০
০৬সাধারন বিজ্ঞান১৫
০৭কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি১৫
০৮গানিতিক যুক্তি১৫
০৯ধারণামূলক বিশ্লেষণ/ মানসিক দক্ষতা১৫
১০নীতি ও সুশাসন১০
 মোট ২০০

২। বিষয় ভিত্তিক বা সিলেবাস ধরে পড়াশোনা করা

বিসিএস প্রলিমিনারি পরীক্ষার জন্য উপরে উল্লেখিত সিলেবাস বা বিষয় গুলোর ব্যাপ্তি বা পরিধি জানতে হবে। ব্যপ্তি না জনার কারনে বেশির ভাগ প্রতিযোগী কোন টুকু সিলেবাস এর অন্তর্গত আর কোন টুকু সিলেবাস এর বাইরে তা না জেনে ঢালাওভাবে পড়তে থাকে যা তাদের কোনো কাজেই আসেনা বরং তা পন্ডশ্রমে পরিণত হয়। তাই সবার আগে সিলেবাস এর ব্যপ্তি জানতে হবে। অযথা কোনো কিছুই পড়ার দরকার নাই এতে করে মূল্যবান সময়ের অপচয় কমে যাবে। বিস্তারিত আলোচনা পাবেন চাকরি আছে ডট কম সাইটে । এখানে সংক্ষেপে দেখে নিন।

  • বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে মোট ৩৫ নম্বরের ভেতর ভাষার উপর থাকে ১৫ নম্বর  এবং বাকি ২০ নম্বর থাকে সাহিত্যের বিভিন্ন যুগ নিয়ে।
  • ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য থেকে মোট ৩৫ নম্বরের মধ্যে  ভাষার উপর থাকে ১৫ নম্বর। আর বাকি ২০ নম্বর থাকে সাহিত্যের বিভিন্ন যুগ থেকে করা ইম্পর্টেন্ট বীষয় গুলোর উপর প্রশ্ন।
  • সাধারণ বিজ্ঞানের প্রতিটি (ভৌত বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞান) অংশে রয়েছে ৫ নম্বর।
  • কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ১৫ নম্বরের এর মধ্যে ১০ নম্বর থাকে কম্পিউটার বিষয়ক । বাকি ৫ নম্বর থাকে তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত বিষয় গুলো থেকে।
  • গাণিতিক যুক্তি উপর মোট ১৫ নম্বরের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে । এর মধ্যে  পাটিগণিত, জ্যামিতি ও বিচ্ছিন্নগণিতে ৩ করে এবং বীজগণিতে ৬ নম্বর ।

বাকি বিষয়ের মানবন্টন সার্কুলার এ উল্লেখ করা থাকে । তাই আন্দাজি আজে বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট না করে সিলেবাস এর ব্যপ্তি জেনে সেই অনু্যায়ী প্লান করে প্রস্তুতি নিতে হবে।

৩। রুটিন মাফিক পড়াশোনা করা

বিসিএস বাংলাদেশের সবচাইতে প্রতিযোগিতামুলক পরীক্ষা তাই যেনতেনভাবে প্রস্তুতি নিলে সাফল্য আসবেনা।পরিকল্পিত ও রুটিন মাফিক পড়াশোনার মাধমে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিজেকে তৈ্রী করতে হবে।বাস্তবায়নযোগ্য একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক রুটিন বানাতে হবে । কোনোভাবেই রুটিনের পড়া বাদ রাখা যাবেনা । একদিনে সব সাবজেক্ট না পড়ে ৫টা সাবজেক্ট পড়তে পারেন।

প্রতিটি বিষয়ের জন্য ২ঘন্টা বা ৩ ঘন্টা করে টাইম বরাদ্দ রাখতে হবে এবং বরাদ্দকৃ টাইমের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নির্দ্দিষ্ট পরিমান পড়া শেষ করতে হবে। পড়ার সময় অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায় বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন এই খান থেকে। বিষেশ জরুরী ছাড়া কোনোক্রমেই রূটিন এর পড়া বাদ রাখা যাবেনা । আজ আর পড়বোনা কাল পড়বো – এই রকম আলসেমী যেন আপনাকে পড়া থেকে বিমুখ করতে না পারে।

সময়টাকে ভাগ করে নিয়ে আলাদা আলাদা বিষয় রুটিনমত প্রতিদিন পরুন। আপনার পড়ার বিষয়গুলো আলাদা আলাদা ভাবে সাজিয়ে পড়া শুরু করতে পারেন।

  • দিনের কিছু সময় জাতীয় পত্রিকা পড়তে পারেন এবং গুরুত্বপূর্ন তথ্যগুলো নোট করে রাখুন। কারেন্ট এফেয়ার্স সাথে অবশ্যই রাখতে হবে।
  • বিশ্বের মানচিত্র ইতিহাস সভ্যতা জানতে হবে এর কোনো বিকল্প নেই।
  • আর ইংরেজির ক্ষেত্রে ভোকাভোলারির বিকল্প নেই। এসএসসি ও এইসএসসি সিলেবাসের ইংরেজি বইগুলো ভালো করে অধ্যয়ন সহ আবার ঝালাই করে নিতে হবে।
  • বাংলার জন্য নামকরা কবি, সাহিত্যকদের জীবনী ও তাদের রচনাগুলোর কথা বারবার পড়তে হবে। তবে বাংলার জন্য শুধু সিলেবাসের বই পড়াই যথেষ্ট হবে আপনি যদি ঠিকমত সিলেবাস শেষ করেন।
  • গণিত ও মানসিক দক্ষতার জন্য অবশ্যই অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে। গনিত ঠিকমত প্রাক্টিস করলে পূরো মার্কস পাওয়া যায়। তবে  গণিতের জন্য অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর গণিত বই এর অংক গুলো ভালো করে শিখতে হবে এবং বারবার করতে হবে।
  • সিলেবাস ধরে আরও কোনো কিছু থাকলে সেই বিষয়গুলো অবশ্যই পড়তে হবে।

তাই সিলেবাসের সাবজেক্ট গুলো বারবার পড়তে হবে এবং লিখতে হবে যেন পরীক্ষার হলে অন্যের দ্বারস্থ হতে না হয়। কারন Practice makes a man perfect.

৪। অযথা আড্ডা ঘোরাঘুরি বন্ধ করা

৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি এর প্রাথমিক পদক্ষেপ এর অন্যতম হলো অযথা আড্ডা ঘোরাঘুরি বন্ধ করা । বর্তমান ডিজিটাল মিডিয়া এবং ফেসবুক এর কল্যানে আমাদের বন্ধুর কোনো অভাব। বন্ধুদের সাথে বেহুদা কামে আড্ডা দেয়া, দল বেধে নানান জায়গায় ঘুরে বেড়ানো, বিয়ে-বাদ্য নিয়ে আমোদ-ফুর্তিতে মেতে উঠা, ঘন্টার পর ঘন্টা গেম খেলা,রাত জেগে চ্যাটিং করা সম্পূর্ণ রুপে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে।

আর এই সময়টাকে যথাযথ কাজে লাগিয়ে বিসিএস এর পড়াটাকে পুরোপুরি আয়ত্ব করতে হবে। খাওয়া ডুব-গোসল-ঘুম এই তিন কাজ বাদে বাকি সময়টা রুটিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, আনন্দ-ফুর্তি সব মাটিচাপা দিয়ে রাখতে হবে।

৫। সার্বক্ষনিক পড়ার উপকরন বা বই সংগে রাখা

৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে এবং এর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সার্বক্ষনিক পড়ার উপকরন বা বই সংগে রাখা যেতে পারে। বিসিএস এর জন্য সময় খুব কম থাকে তাই এই গুরুত্বপূর্ণ সময় হেলায় নষ্ট করা যাবেনা। হাটে বাজারে নদীর ধারে চা স্টলে বা গাছের তলায় যেখানেই বেড়াতে যাননা কেন সার্বক্ষনিক পড়ার উপকরন বা বই সংগে রাখা চাই।

বর্তমানে স্মার্টফোন সবার হাতে হাতে সেখানে দরকারি কিছু সাধারন জ্ঞান,ইংরেজী ভোকাভোলারি,আন্তার্জাতিক বা বিষয় বা মানসিক দক্ষতার কিছু ইমেজ রেখে দিতে পারেন। সময় পেলে আজে বাজে গেম না খেলে বিসিএস এর জন্য কিছু জরুরী তথ্য পড়ে নিতে পারেন তাছাড়া এটি বহন করার জন্য আলাদা কোনো প্যারা নিতে হয়না।

৬। Be serious

Be serious কথার অর্থ বাংলায় বললে তেমন গুরুত্ব বহন করেনা তাই Be serious আপনাকে ইংরেজীতেই বুঝতে হবে। Be serious মানে প্রকৃত পক্ষে আপনার মধ্যে seriousness আনতে হবে যাকে বলে খাটি বাংলায় আদা জ্বল খেয়ে লাগা। Do or Die কর না হয় মর। একটা সেকেন্ডও নষ্ট করা যাবেনা । সময় খুবই মূল্যবান । বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য তাই কোনভাবেই হেলায় সময় পার করা যাবেনা।

সিলেবাস এর পরিপূর্ণ ধারণা নিয়ে একটা বিজ্ঞান ভিত্তিক অনুসরনযোগ্য রুটিন বানাতে হবে। সময় ভাগ করে প্রতিদিন রুটিক মাফিক নির্ধারিত বিষয় পড়তে হবে। পড়ার কোনো বিকল্প নাই এটা আপনাকে মনের ভিতর গেথে নিতে হবে এবং তার বাস্তবায়ন করতে হবে। বিসিএস এর জন্য আপনাকে Serious হতেই হবে। যারা বিসিএস প্রিলিমিনারির জন্য সিরিয়াস ভাবে চেষ্টা করেন তারাই সাফল্য লাভ করতে পারেন বাকিরা হা-হুতাস করেন। তাই আবারও বলবো Be serious. যদি সিরিয়াস হতে পারেন তবেই বিসিএস আপনার জন্য, আর সিরিয়াস না হতে পারলে বিসিএস এর নামে অযথা সময় নষ্ট করার প্রয়োজন নেই।

৪৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ গুলো বিভিন্ন গবেষনা পত্র থেকে বাছাই করে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে উল্লেখিত স্টেপ গুলো ফলো করলেই বিসিএস এ উত্তীর্ণ হতে পারবেন তার কোনো গ্যারান্টি নেই। তবে উল্লেখিত পদক্ষেপ গুলো যথাযথ অনুসরণ করলে সাফল্য লাভের সম্ভাবনা অনেক অনেক গুন বেড়ে যায় এবং অনেকে এভাবে সাফল্য পেয়েছেন। আপনি নিজের মত করে আলাদা পদক্ষেপ নিয়ে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করতে পারেন তবে মূল কথা হলো সাকসেস হওয়া সেটা যেভাবেই আসুক না কেন।

৪৫ বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতির A to Z গাইডলাইন

৪৫ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে এ টু জেড গাইড লাইন পেতে হলে ভিডিওটা পুরো দেখে নিতে পারেন।

Leave a Comment